RSS

তো?

27 জানু

-তো?
যে যাই বলুক এমন করে তাকে থামিয়ে দেওয়া যায়। অন্তত কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ করাতো যায় বটেই। আমি স্যাকারিনের কথা জানি না, আনা ক্যারেনিনাকে চিনিনা, ধ্রুপদ এবং ধামারকে আলাদা করে বুঝতে পেরেছি এমন বললে অধর্ম হবে, যদিও ধর্ম কি তা নিয়ে সখারাম গনেশ দেউস্করের চেয়ে আমার বেশী ভাবনা আছে এ কথা কেউই বলবেনা।

এতটা লিখতে গিয়ে হাঁফ ধরে যাচ্ছে। আজ বইমেলা গেছিলাম। অনেক বই দেখলাম না। অনেক লোক দেখলাম না। আমি দৃঢ় হয়ে দেখার মতন আজ শক্ত ছিলাম না। আমাদের দেখাগুলোকে আমি দেখার পর্যায়ে ফেলে দেখার মতন কারণ খুঁজে পাইনি বলেই এই সব কথাবার্তা। বইমেলাতে বই থাকে। বইমেলাতে খাবারের স্টল থাকে। ভারী ও নানান মাপের স্তন, নিতম্ব, জঘন থাকে। লোকেদের বই-বই ভাব করে ঘুরে বেড়ানো থাকে। আমার সে সব কিছুই দেখার ছিল না। আনুপূর্বিক বৃত্তান্ত এসব সময়কালের এবং আমার জানা। আমি এমন কিছু কম বছর যাচ্ছি না বইমেলা। এখন আমাকে কেউ যদি বলে,

-আপনি সাহিত্য-ফাহিত্য নিয়েই থাকেন না?

তাকে আমি তো বলেই উড়িয়ে দিতে পারি। তো বলেই থামিয়ে দিতে পারি। তো বলেই ধমকে দিতে পারি।

অনেককাল ধরে এসব শুনছি। সাহিত্য-ফাহিত্য, নাটক-ফাটক, ফিল্ম-টিল্ম- এই সব কথাগুলো ভদ্দরলোকজনেরা খুব বলে থাকেন। এঁরা ডাক্তার,এঞ্জিনীয়ার,ব্যাঙ্কার,আমলা,ব্যবসায়ী এমন নানানটা। এঁদের কেউ ফাক্তার-টেঞ্জিনীয়ার-ট্যাঙ্কার-টামলা-ট্যাবসায়ী বলে না। মানে বলতে সাহস করে না। ভারিক্কি লোক এরা। ভারিক্কি ভাবে চলেন। দেশ চালান। দেশ চোরা চালানেও এঁদের জগদ্ব্যাপী হাতযশ।

এঁদের দেখলে বেশ একটা সমীহ জাগার কথা। আমার ক্ষেত্রেও ব্যাতিক্রম হয় না। অন্তত বেশীরভাগ সময়ে। আজকে আমার একটু কেমন যেন হল। আজকে আমার খেলা করতে ইচ্ছে হল। আমি আসলে তখন কিছুই দেখছিলাম না। আমি আমার মধ্যে বসবাস করছিলাম। কথা বলছিল যখন কেউ আসলে আমি কথা খুঁজছিলাম। আমি কথা হাতড়াচ্ছিলাম। কোনো আলাপকে খুব জোরেজোরে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছিলাম। করতে করতে ক্লান্ত হচ্ছিলাম যখন তখন চোখ সরু করে অন্য দিকে তাকিয়ে নিচ্ছিলাম, যেন আমি সভ্যতার আদিকাল থেকে কথা বলার জন্য শব্দ চয়ন করে নিয়ে আসছি। যেন আমি শব্দকে একটু আগে জন্ম দিয়ে গম্ভীর মুখে পাউন্ডে তার ওজন মাপছি। আসলে আমি ভন্ডামি করছিলাম। মানুষকে আমি খুব ঠকাচ্ছিলাম। এবং বেশী ঠকাবো না বলতে গিয়ে নিজেকেই ঠেকাচ্ছিলাম।

আজকাল এমন খুব হয়। আমি যখন কথা বলি তখন আমি কথা বলি না, যখন কথা বলি না তখন কথা বলি। খুব কথা বলি নিজের পায়খানার ভিতরে। খুব কথা বলি পায়খানা করার মধ্যবর্তী সময়ে। ওই সময়ে নিজেকে সবচেয়ে পবিত্র বোধকরি। নিজেকে আশ্লেষাসিক্ত মনে করি, জীবন সম্পর্কে, কেননা আমি তখন বর্জন করছি। আমি তখন গ্রহণ করছি না। এবং তখন আমার খুব সৎ হবার সময়। অপালা আমাকে ছেড়ে গিয়েছে যখন থেকে তখন থেকেই আমি বর্জনকে ভালবাসি। বর্জনের সবকিছুকে ভালবাসি। এ অনেকটা শিশুর গু খাওয়ার মতন। স্বাদ নিয়ে বুঝে নেবার চেষ্টা। একবার বর্জিত হবার স্বাদ পেলে অর্জিত সব কিছু বর্জন করতে ইচ্ছে হয়। আমি পায়খানায় বসে ঠাটিয়ে ক্লিন্ট ইস্টুডের মত ডায়ালগ দিতে ভালবাসি। না, ভুল,বললাম, আমি মার্লোন ব্র্যান্ডোর মতন ডায়ালগ দিয়ে থাকি। ক্লিন্ট ইস্টুডের বার্ধ্যক্যের তবুও নায়ক ভাবটা টেনে রাখি। বর্জিত হবার পর থেকে এটাই আমাকে আত্মবিশ্বাস যোগায়। সেই আত্মবিশ্বাসের বলে আমি সকালের কাগজ দেবার ছোকরাকে ভারী গলায় বলার চেষ্টা করে দেখেছি,

- দেশের খবর তুমি বয়ে নিয়ে আস, কিন্তু দেশের খবর পড় কি?

সে আমাকে কাগজ দিয়ে চলে যাবার ফাঁকে খানিকক্ষণ বাঁকা চোখে দেখে নিয়ে চলে যায়। তাকে কাজ করতে হবে। ফালতো সময় নেই তার। সে চলে গেলে আমি এক কাপ চা খেয়ে নিয়ম মতন ঢুকে যাই পায়খানায়। আমার প্রজাতন্ত্র দিবস প্রতিদিন। পায়খানায় আমি স্বাধীন। পায়খানায় আমি কথা বলতে ভালবাসি। তার চার দেওয়ালের মধ্যে আমি নিজের স্বরকে উপভোগ করি, অনেকটাই আত্মরতির মতন, অনেকটা প্রতিবর্তক্রিয়ার মতন আমার ভিতরে সাফল্য জন্ম নেয়। সেই সাফল্য থেকে বাকী সারাদিন আমি কথা বলে চলি, আমি খুব জানি সকালে বা রাত্রে যখনই হোক সব আমি পায়খানায় বর্জন করে আসবো। অপালার মতন আমিও প্রচুর বড় বড় কথা বলে সব বেমালুম বর্জন করে যেতে শিখেছি। ও বর্জনের পাশে পাশে খেলা করতে শিখেছি। আমি ভদ্দরলোকদের দেখলে এই খেলাটা না করলেও আজ খেলা করতে ইচ্ছে করেছিল।

লোকটা যখন আমাকে বলছিল, সঙ্গে তার বউ ছিল এবং সে আমার লেখা পড়তে ভালবাসে এ কথা জানার পরেই লোকটা বলছিলো,

- আপনি সাহিত্য-ফাহিত্য নিয়েই থাকেন না?

আমি বলেছিলাম,

-তো?

আমি লোকটাকে চড়ও মারিনি, গুলিও করিনি, মুখে তার থুতুও দিইনি। কিন্তু ওই একটা শব্দে তার সমস্তটাই কেমন বেসামাল হয়ে গেল। সে আর আমি একই রিং-এ খেলছিলাম। সে খুব অবহেলার সঙ্গে এতক্ষণ যেন আমার সমস্ত পাঞ্চগুলোকে এড়াচ্ছিল। মাঝে মাঝে আমাকে টুকরো-টাকরা জ্যাব করে ক্লান্ত করে দিচ্ছিল। আমার বডিকেই সে আক্রমণ করছিল। আর নিজের মুখটাকে খুলে রেখেছিল। সে যেন জানতোই আমি তার মুখে আঘাত করতে চাইবো। আর সেটা করতে গিয়ে আমি তাকে হাঁফিয়ে গিয়ে সুযোগ করে দেব অতর্কিতে আমার মুখে একটা নক আউট পাঞ্চ বসিয়ে দেবার। লোকটার সারা শরীর থেকে খুব কৃতবিদ্যের মতন এক আলো ঠিকরোচ্ছিল ততক্ষণ। কিন্তু আমার শব্দটা ওকে খেয়ে ফেললো। ও সেই বক্সারের মতন যে নিজের অজান্তে নিজেরই চালে জড়িয়ে গিয়েছে। আমি আমার পায়ের ওজন যে হালকা রেখেছিলাম তা ও বোঝেনি। বোঝেনি বলেই সর্বশক্তি দিয়ে যখন ও পাঞ্চটা করতে গেল আমার থেকে বেশী উচ্চতার থেকে তখন আমি একটু শরীরের ভার সরিয়ে ওকে বেসামাল করে দিলাম। এরপরে একটা আপার কাট, আর ওর কেল্লা ফতে।

ওর বউ আমার দিকে চেয়ে আছে। ও আমার দিকে চেয়ে আছে। ওর বউ এখন ওকেও দেখছে। একটা আদ্যন্ত জমজমাট খেলা। কে কি করবে দুজনের কেউই বুঝে উঠতে পারছে না। ওর বউ আমার লেখা পছন্দ করে। কিন্তু ওর অর্থে ভরণপোষণ। পেটমোটা সুখী মধ্যবিত্তর মতই তার হাবভাব। ওর উপর নির্ভরতা ছেড়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে এমন সম্ভাবনা কম। নেই বলাই ভাল। বরেরে আড়ালে যদি একটু লুকোচুরি ছোঁয়াছুঁয়ি হয় তা হলে সে অন্য কথা। সে হল জমা টাকার উপরে সুদ। কিন্তু সরাসরি বিনিয়োগ করে পণ্য উৎপাদনের ঝুঁকি নেওয়া চাট্টিখানি কথা না। এই কারণেই অপালা থাকেনি। ঝুঁকি নেবার সাহস তার ছিল না। লুকিয়ে-চুরিয়ে খেলা তার পোষাবে, কিন্তু সরাসরি এমন কারবার যেখানে লোকসান হতে পারে তাতে সে যাবে না। হিসেব বড়ই পাকা।

আমি উপভোগ করছি ব্যাপারটা। একটা লেখা লেখার কষ্ট অনেক। একটা লেখা কেউ পড়তে চাইতেও পারে, নাও চাইতে পারে। তাছাড়া চাইবে তখনই যখন লেখাটা কোথাও পড়তে পাবে। সে কম হ্যাপা নাকি! লেখা ছাপার নানান জায়গা। খুব সস্তার জায়গা হল বন্ধুদের সাহিত্য-সাহিত্য খেলা যা এদানীং লিটলম্যাগ আড়ম্বর বা বেশী হল ইন্টারনেট গ্রুপ। নিজেরাই লেখি, নিজেরাই পড়ি, নিজেরাই সুখে ঘুমোতে যাই তারপরে। সাকুল্যে ছত্তিশজন থাকে। সকলেই সকলের পিঠ চাপড়ে নিজেদের চোখ ঠারা দিয়ে চলেন। নাহলে কিঞ্চিত ঝগড়া-ঝগড়ি করে এসব যে একটা গম্ভীর বিষয় সে সব প্রতিষ্ঠা করে সাহিত্য-গভভোপাত করেন। ছত্তিশের এই বখেড়া থেকে বেরিয়ে যদি নয় লাখে যেতে হয় তখন বেশ বড় হ্যাপা। সেখানে পলিসি আছে। সেখানে মালিক আছে। মালিকের অসুবিধা সাহিত্যেও চলবেনা। কাজেই ফড়ের হাতের নাগাল পেরিয়ে মালিকের দেরাজে যাওয়া চাড্ডিখানি বাত নয়। তাছাড়া সে সব জায়গা আখেরে ওই ভদ্বরজনেদের কেনা। তাঁরাই ঠিক করে দেন দেশের পক্ষে কি ভাল, কি মন্দ! বাবু বঙ্কিমের মতন বাবু তাঁরা। প্রশাসনিক-সাহিত্যিক। দেশোদ্ধারের মহান কাজ। নিজেই সেন্সর নিজের। সেখানে খড়কুটোর রক্তবমন অবক্ষয় বা নিদেনপক্ষে শব্দের অপচয়।

তা এই সব ঝুট-ঝামেলার মধ্যে দাঁড়িয়ে আমরা যারা সাহিত্যচর্চা করি, তাদের টিকেতে আগুণ দেওয়া সব সময়েই সোজা। অনেকটা বস্তিতে আগুণ লাগার মতন। বেয়াইনি দখলদার যত্ত, না তুলতে পারলে আগুণ লাগিয়ে দাও। কে জানতে চাইছে কিভাবে লাগলো আগুণ? তদন্ত হবে বলে দেওয়া যাবে খুব বেশী হলে। তদন্তের ফল? ধুঃ মহাই। চারদিন মিডিয়া কাঁদবে, তারপরেই ফুস। সেই মতন আমাদেরও যে কোনো সময়েই টিকিয়ে দেওয়া যায়। দেওয়া হয়েছে, হচ্ছে বা হবে। এটাই ইতিহাস।

আর ইতিহাস আমাদের কাছে বিস্তর রসিক ভাবনা। আমরা ইতিহাস লিখিনা, লিখতে লিখতে ইতিহাস হয়ে যাই। বেশীরভাগের পরিণতি ব্যাক্তিগত ইতিহাসের তামাদি দলিল, অনেকটা ওই নিয়মিত ধোপার হিসেব রাখার খাতা যা জামা-কাপড়ের মালিক অশক্ত হলেই সোজা বিস্মরণে। কয়েকজন কোনো ফাঁকতাল গলে সমষ্টির ইতিহাসে। কিন্তু সিট বড্ড কম। এমনকি রিজার্ভ বেঞ্চেও ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই। তারপরেও চাড্ডি শব্দ সম্বল করে আমরা যারা মেছোহাটায় বড় অর্ণবপোতের খবর নিয়ে ফিরি, তারা যে দোকানদারি করি তা বারোয়ারি, মনোহারি ইত্যাকার নানান ট্যাগের পরে শুধু নির্ভরশীল নয়, আমাদের স্বপ্নের সওদাগরি সে। আমাদের কলজে যতই দুর্বল ধুকপুকে হোক না কেন আদতে আমাদের কাজ ডাকাতি। নৌ বাহিনীর নয়, আমরা আসলে পাইরেটদের গোত্র।

জ্বালাইয়া তারারও বাতি, করে ডাকাতিও

গুরু তোমারই নামে…

-তো?

শব্দ নিয়ে, ভাবনা নিয়ে বসবাস করতে করতে শব্দ আমাদের সুনিপূণ কৃপাণ। লোকটা আমার দিকে চেয়েছিল। লোকটার বউ-ও। আমি সামান্য হাসি চোখের তারায় ফুটিয়ে বলতে শুরু করলাম। আসলে পায়খানায় বলে বলে এমন অভ্যাস করেছি যে আমার এখন অতি সহজেই আসে এসব। তখন ঐ যে বইমেলায় বলছি তাকে আমার পায়খানাই মনে হয়। তাই আরো সুবিধা।

- আমাদের ছোটবেলায় ভয় কাটানোর জন্য একটা খেলা খেলতাম। বড়দের ভয় কাটানোর জন্য এটা অব্যর্থ খেলা। বড়রা যখন বকাবকি করতো, বা জ্ঞান দিত বা আমাদের কেলাবে কেলাবে এমন একটা ভাবে এসে যেত, আমরা তখন মনে করতাম যে যতই বড় হোক, যে যতই গম্ভীর হোক, যে যতই শক্তিমান হোক যখন সে দাঁড়িয়ে কথা বলে তখন ঠিক তার দু-পায়ের ফাঁকে তার বিচিদুটো দুলতে থাকে। আর দুলতে দুলতে উরুর সঙ্গে ধাক্কা খায়। আর শব্দ হয়, থ্যাত থ্যাত। ধীরে ধীরে আমাদের হাসি পেয়ে যেত। গা গুলিয়ে অসম্ভব হাসি। তখন ভারী কথা, তুমুল কেলানিও আর কিছুতেই কাজে দিত না। আমরা উড়ে যেতাম আমাদের ছোট করার সমস্ত চেষ্টার থেকে। আপনিও খেলবেন কালকে। অফিসে গিয়ে যখন আপনার বস আপনাকে কাল খুব কড়কাবে বা পেশেন্ট পার্টি বা ম্যানেজমেন্ট তখন আপনিও ভাববেন। দেখবেন ক্রাইসিস থাকছে না। বুঝলেন?

লোকটা আমার দিকে তাকিয়েই ছিল। আমার কথাটায় কতটা অফেন্স নেবে ভাবছিল বোধহয়। বউ-টা তাকিয়েই ছিল। ভাবল কিনা কিছু তাতে আমার বয়েই গেল। ও আমার গল্পের নায়িকা নয় যে আমি ওকে নিয়ে এতটাও ভাবতে যাব। যতটুকু ভেবেছিলাম এককালে সে সব অপালাকে নিয়ে। তারপর থেকে আমি বেকার ভাবনা খরচ করিনা। নায়কদের নিয়ে নায়িকারা ভাবে না আমার গপ্পে, নায়িকাদের নিয়ে নায়করা ভাবে না আমার গপ্পে, আদতে আমার কোনো নায়ক-নায়িকাই নেই। শুধু আছি বলতে আমি। আর নেই বলতেও আমি।

- বাড়ি গিয়ে ভাবলে কিছুটা বুঝবেন। আমি সাহিত্য-ফাহিত্য করি না, আমি লিটারেচর গুরু। ইল্লিটারেটদের শিক্ষা দিয়ে থাকি। আমি ও সক্রেটিস একই প্রজাতি।

 

About শুদ্ধ

This is a blog for all creative people.Here we will have expressions from all forms of art.This is a bilingual blog.
2 Comments

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 27, 2012 in গল্প

 

Tags: , , ,

2 Responses to তো?

  1. nirmalyasblog

    ফেব্রুয়ারি 8, 2012 at 8:23 পুর্বাহ্ন

    বেঁড়ে হয়েছে …. encore

     
    • শুদ্ধ

      ফেব্রুয়ারি 10, 2012 at 2:11 অপরাহ্ন

      হা হা হা হা। ধন্যবাদ। অজস্র ধন্যবাদ।

       

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 49 other followers